বিজয় দিবসে রাঙ্গামাটিতে মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবার সদস্যদের সংবর্ধনা

রাঙ্গামাটি রিপোর্ট –

Chinu-2-638x410

সংসদ সদস্য ফিরোজা বেগম চিনু বলেছেন, ৭১ -এর  মুক্তিযুদ্ধে দেশ স্বাধীন করতে যেভাবে জাতি ধর্ম বর্ণ নির্বিশেষে সবাই ঐক্যবদ্ধ ছিল, তেমনি বর্তমান সরকারের প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার রূপকল্প ২০২১ সালের মধ্যে দেশকে মধ্যম আয়ের দেশে পরিণত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ক্ষমতায় আসার পর প্রথমেই মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারদের বিষয়ের কথা চিন্তা করে তাদের সম্মানী ভাতা বৃদ্ধি করেছেন যা অন্য কোন সরকার করেনি। দেশ এগিয়ে যাচ্ছে আরো এগিয়ে যাবে। দেশকে এগিয়ে নেয়ার জন্য মুক্তিযোদ্ধাদের সু-পরামর্শের প্রয়োজন। তিনি নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানাতে মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।

১৬ ডিসেম্বর বুধবার সকালে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের আয়োজনে জেলার মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবার সদস্যদের সংবর্ধনা প্রদান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি একথা বলেন।

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বৃষ কেতু চাকমার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন জেলা প্রশাসক মো: সামসুল আরোফিন, পুলিশ সুপার সাঈদ তারিকুল হাসান, পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা এসএম জাকির হোসেন, নির্বাহী কর্মকর্তা মো: ছাদেক আহমদ, পরিষদ সদস্য ত্রিদিব কান্তি দাশ, সাধন মনি চাকমা, সবির কুমার চাকমা, জেবুন্নেসা রহিম, সান্তনা চাকমা, জ্ঞানেন্দু বিকাশ চাকমা ও রেমলিয়ানা পাংখোয়া, মুক্তিযোদ্ধা জেলা কমান্ডার রবার্ট রোলান্ড পিন্টু, ডেপুটি কমান্ডার মো: ইকবাল হোসন, মুক্তিযোদ্ধা গাজী মসলে উদ্দিন।

সভাপতির বক্তব্যে জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান বলেন, মুক্তিযোদ্ধারা এই দেশের গর্বিত সন্তান । তাদের প্রতি সম্মান দেখানো আমাদের কর্তব্য। তারা যদি দেশ স্বাধীন না করতো, আমরা আজ যার যার অবস্থানে থাকতে পারতামনা।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক বলেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অবদানে আমরা একটি স্বাধীন সার্বভৌম দেশ পেয়েছি, একটি মানচিত্র পেয়েছি। আমাদেরকে সবসময় তাদের মূল্যায়ন করতে হবে। তিনি বলেন, বর্তমান সরকারের আন্তরিকতায় দেশ অনেক এগিয়ে যাচ্ছে, প্রবৃদ্ধির হার বেড়েছে। দেশের অর্থনৈতিক আয় বেড়েছে। পদ্মা সেতুর মাধ্যমে যোগাযোগ ব্যবস্থা আরো একধাপ উন্নতি হচ্ছে।  সরকারের এ ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে সবাইকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান তিনি।

পরে জেলার ৯০ জন মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়।

Print Friendly, PDF & Email

Add Comment