সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

সংবাদ বিভাগ, সোমবার ০৯ মার্চ ২০১৫:

রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা অরুনেন্দু ত্রিপুরা কর্তৃক প্রেরিত প্রেস বিজ্ঞপ্তি হুবহু দেওয়া গেল –

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

 RHDC

ছবি – লিটন শীল
বাংলাদেশ কৃষি নির্ভর দেশ। তাই কৃষকদের বাদ দিয়ে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া কখনো সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার কৃষি বান্ধব সরকার। কৃষকদের সুবিধার্থে ১০ টাকা দিয়ে একাউন্ট খোলা থেকে শুরু করে ঋণ প্রদান’সহ বিভিন্ন সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে দেশের ১৬ কোটি মানুষের খাদ্য চাহিদা মিটিয়ে বাংলাদেশ শ্রীলংকায় চাউল রপ্তানি করছে- এটি আমাদের দেশের জন্য একটি গর্বের বিষয়।

আজ ০৯ মার্চ সোমবার সকালে জেলা প্রাণী সম্পদ বিভাগের প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ-সিএইচটিডিএফ-ইউএনডিপি’র যৌথ বাস্তবায়নে এবং ডানিডার অর্থায়নে পার্বত্য চট্টগ্রাম অঞ্চলে কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্প (২য় পর্যায়), সমন্বিত খামার ব্যবস্থাপনার কৃষক মাঠ স্কুল বিষয়ে সহায়তাকারীদের ১০দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে চেয়ারম্যান এ মন্তব্য করেন।
রাঙ্গামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদের সদস্য ও কৃষি, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ বিভাগের আহ্বায়ক বৃষকেতু চাকমার সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণ কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা: মো¬. সাখাওয়াত হোসেন, কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক রমনী কান্তি চাকমা, মৎস্য কর্মকর্তা মনিরুল ইসলাম, কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের এফএফএস টেকনিক্যাল কোয়ালিটি কো-অর্ডিনেটর ফিরোজ ফয়সাল।

স্বাগত বক্তব্য দেন কৃষি ও খাদ্য নিরাপত্তা প্রকল্পের জেলা কর্মকর্তা সুকিরণ চাকমা।

চেয়ারম্যান বলেন, পড়ার জন্য যেমন কোন বয়স লাগে না তেমনি প্রশিক্ষণের কোন শেষ নেই। জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা হচ্ছে অমূল্য সম্পদ। নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে প্রশিক্ষণ ও অভিজ্ঞতা দুটোই প্রয়োজন। তিনি বলেন, আজকের অর্জিত প্রশিক্ষণের জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে কৃষি উন্নয়নে নিজের, প্রতিবেশী, গ্রাম  এবং সমাজ তথা দেশের উন্নয়নে নিজেকে নিয়োগ করতে হবে। তবেই পার্বত্য অঞ্চলে কৃষিক্ষেত্রে বিল্পব ঘটানো সম্ভব। প্রশিক্ষণের অভিজ্ঞতাকে গ্রামের প্রান্তিক কৃষকদের হাতে কলমে বুঝাতে হবে। তিনি বলেন, আমাদের পার্বত্য অঞ্চলে প্রচুর পরিমান অনাবাদি জায়গা রয়েছে। সেগুলোকে কৃষি উন্নয়নে সঠিকভাবে কাজে লাগালে উৎপাদিত কৃষি পণ্য দিয়ে এখানকার মানুষের চাহিদা মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলার চাহিদাও পূরণ করা সম্ভব।

কর্মশালা শেষে চেয়ারম্যান প্রশিক্ষণার্থীদের মাঝে প্রশিক্ষণের উপকরণ বিতরণ করেন। কর্মশালায় কৃষি, মৎস্য চাষ ও প্রাণী সম্পদ বিষয়ের উপর প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। জেলার বিভিন্ন উপজেলার মোট ৩০ জন কৃষক এ প্রশিক্ষণ কর্মশালায় অংশ গ্রহণ করেন।

Print Friendly, PDF & Email

Add Comment